Bcs preliminary preparation

১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সময়কাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য এ অংশের উপর মৌলিক জ্ঞান থাকতে হবে। তাই এই আয়োজন,,,,,,,

Bcs preliminary preparation

Bcs preliminary preparation,bcs preparation bangla,
bcs preparation book list,
bcs preparation,
40th bcs preparation,
bcs full model test,
bcs preliminary model test question,
40 bcs model test,
41th bcs model test,bcs meaning,
What is BCS qualification,
bcs math class,bcs math solution pdf,
bcs math preparation,
Bcs preliminary preparation,

১৯৩৯ সালে মুসলিম লীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আলী জিন্নাহ “দ্বিজাতি তত্ত্ব” তথা দুই জাতিভিত্তিক দেশ গঠনের ধারণা দেন।
এরপর ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ এ কে ফজলুল হক লাহোরে মুসলিম লীগের সম্মেলনে দাবি জানান, “মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে কয়েকটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের।এটিই ইতিহাসে “লাহোর প্রস্তাব” নামে পরিচিত। 
এরই পরিক্রমায় ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট রাতে ভারতবর্ষে অবসান হয় ব্রিটিশ শাসনের। ১৪ আগস্ট রাত ১২ টার কিছু আগে জন্ম হয় পাকিস্তান এবং রাত ১২ টার কিছু সময় পর অর্থাৎ ১৫ আগস্ট জন্ম হয় স্বাধীন ভারতের। এ সময় শেষ ব্রিটিশ ভাইসরয় বা রাজ প্রতিনিধি ছিলেন লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন। তিনি ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল এর দায়িত্বও পালন করেন। 
শুরু হয় নতুন অধ্যায়ঃ
১। তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে। এটি একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
২। “পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু” নামে পুস্তিকা প্রকাশ করে – তমদ্দুন মজলিশ, ১৫ সেপ্টেম্বর। পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর “মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।” ১ম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এবং পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন।
৩। ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদ এর সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা হিসেবে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের প্রথম দাবি জানান।
৪। ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ। ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম “সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয়। এসময় পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দিন।
৫। ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দান(বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমার্বতনে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন, “উর্দু এবং একমাত্র উর্দু ই হবে পাকিস্তানের একমাত্র মাতৃভাষা।”
৬। ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি আব্দুল মতিনকে আহ্বায়ক করে “রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ” নতুন ভাবে গঠিত হয়। শেখ মুজিব এবং তার সহ বন্দি মহিউদ্দিন আহমেদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফরিদপুর কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। ২৭ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিব মুক্তিলাভ করেন।
৭। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টায় মিছিল নিয়ে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত হয়। মিছিলে পুলিশ গুলি চালালে আবুল বরকত, জব্বার, রফিক, সালামসহ আরও অনেকে শহিদ হন। পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি শফিউর নামে আরও একজন শহিদ হন। ২৩ ফেব্রুয়ারি শফিউরের পিতাকে দিয়ে প্রথম শহিদ মিনার উদ্বোধন করা হয়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহস্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
৮। ভাষা শহিদদের নিয়ে প্রথম কবিতা লিখেন চট্টগ্রামের কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী, “কাঁদতে আসিনি, ফাসির দাবি নিয়ে এসেছি।” আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেন স্মৃতির মিনার কবিতা। আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন, “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” নামের গানটি। সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল লতিফ রচনা ও সুর করেন “ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।”
৯। ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন প্রথম নাটক “কবর”, ১৯৫৩ সালে। এর প্রধান চরিত্র: হাফিজ, মুর্দা ফকির।” জহির রায়হান রচনা করেন প্রথম উপন্যাস “আরেক ফাল্গুন।” এর চরিত্রগুলো হচ্ছে মুনিম, বেনু, সাহানা, ডলি ও আসাদ।
১০। ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারাদেশে ভাষা দিবস পালন হয়ে আসছে। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান “ইউনেস্কো” ২১ ফেব্রুয়ারিকে “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন হয়ে আসছে। ২০০৮ সাল থেকে জাতিসংঘের সরাসরি উদ্যোগে মাতৃভাষা দিবস পালন হচ্ছে।
১১। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে এক সম্মেলনে “পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ” গঠিত হয়। এতে সভাপতি পদ গ্রহণ করেন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। সাধারণ সম্পাদক টাঙ্গাইলের শামসুল হক এবং যুগ্ম সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান ও খন্দকার মোশতাক।
১২। ১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নূরুল আমিন (পূর্ব বাংলার ২য় মুখ্যমন্ত্রী) এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দিন। পাকিস্তানের মোট জনসংখ্যার ৫৬% ছিলো পূর্ব বাংলার তথা বাঙালি।
১৩। ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর আওয়ামীলীগ(মওলানা ভাসানী), কৃষক শ্রমিক পার্টি(শেরে বাংলা ফজলুল হক), গণতন্ত্রী ফ্রন্ট(হোসেন শহিদ সোহরাওয়ার্দী) এবং নেজামে ইসলাম -এর চারটি দল নিয়ে গঠিত হয় “যুক্তফ্রন্ট” নামে নতুন জোট। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
১৪। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা ভিত্তিক। ২১ দফার ১ম দফা ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা, ২য় দফা হলো বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ, ৩য় দফা পাট ব্যবসা জাতীয়করণ ও পাটের ন্যায্যমূল্য প্রদান। ১৮ দফায় ছিল ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহিদ দিবস ও সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৫। ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ২৩৭ টি মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩ টি, মুসলিমলীগ মাত্র ৯ টি এবং অন্যরা পায় বাকি আসন। ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফট নেতা এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ সরকার ক্ষমতায় ছিলো মাত্র ৫৬ দিন। আদমজি পাটকল ও কর্ণফুলি কাগজকলে বাঙালি-অবাঙালি দাঙ্গার অজুহাতে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট সরকারকে বরখাস্ত করেন।
১৬। ১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে হয় আওয়ামী লীগ তথা ধর্ম বর্ণ জাতি নিরপেক্ষ গণমানুষের দল। আওয়ামীলীগের কাগমারি সম্মেলন হয়েছিল ১৯৫৫ সালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে। মওলানা ভাসানী আওয়ামীলীগ থেকে বের হয়ে গঠন করেন “ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাম। আওয়ামী শব্দটি হচ্ছে উর্দু, এর বাংলা অর্থ গণমানুষ।
১৭। পাকিস্তানে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন – প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা, ৭ অক্টোবর, ১৯৫৮ সালে। তিনি ১৯৫৬ সালের সংবিধান এবং গভর্নর পদ বাতিল করেন। পূর্ব বাংলার নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান(১৯৫৬)। ২৭ অক্টোবর মাত্র ২০ দিনের মাথায় তাকে উৎখাত ও দেশত্যাগে বাধ্য করেন সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান। 
১৮। সামরিক শাসন দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন। এটি ছিল একটি পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি। পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান থেকে মোট ৮০ হাজার ইউনিয়ন কাউন্সিল সদস্য নিয়ে নির্বাচক মন্ডলী গঠিত হয়। এদের ভোটে ১৯৬৫ সালে আইয়ুব খান নির্বাচিত হন। তিনি নিজেকে পাকিস্তানের প্রথম “ফিল্ড মার্শাল” বলে ঘোষণা করেন।
১৯। পাকিস্তানের প্রথম শিক্ষা কমিশন “শরীফ শিক্ষা কমিশন”। এর প্রতিবাদে ১৯৬২ সালে সংঘঠিত হয় ১৫ দফাভিত্তিক ছাত্র আন্দোলন। ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শুরু হয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। এ যুদ্ধ স্থায়ীত্ব ছিল ১৭ দিন। এ সময় পূর্ব পাকিস্তান সীমান্ত পুরোপুরি ছিল অরক্ষিত।
২০। ১৯৬৬ সালে ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের এক সম্মেলনে আওয়ামী সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি উপস্থাপন করেন। এটি তিনি বলেন “আমাদের বাঁচার দাবি”। বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা বাংলার ম্যাগনাকার্টা নামে এটি পরিচিত। ৬দফার ১ম দফা ছিল “পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন।” উল্লেখ্য ম্যাগনাকার্টা রচিত হয় ১২১৫ সালে ইংল্যান্ডে। এটিকে বলা হতো ইংল্যান্ডের শাসনতন্ত্রের বাইবেল।
২১। ১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় আগড়তলা ষড়যন্ত্র মামলা। যার পুরো নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য।” ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন তারিখে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে এ মামলার শুনানি শুরু হয়।
২২। ১৯৬৯ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দেন “জুলফিকার আলী ভুট্টো।” ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারী ছাত্র আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদ নিহত হন। প্রতি বছর ২০ জানুয়ারি পালিত হয় আসাদ দিবস এবং আইয়ুব গেটের নাম হয় আসাদ গেইট। ১৫ ফেব্রুয়ারি ক্যান্টনমেন্টের ভিতর গুলি করে হত্যা করা হয় আগড়তলা মামলার আসামি “সার্জেন্ট জহুরুল হক কে।” ১৯ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক “ড. শামসুজ্জোহা।”
২৩। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব সরকার বাধ্য হয়ে আগড়তলা মামলা তুলে নেয়। ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে “বঙ্গবন্ধু” উপাধি দেন তোফায়েল আহমেদ। ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ইস্তফা দেন আইয়ুব খান। নতুন ক্ষমতা দখল করে জেনারেল ইয়াহিয়া খান।
২৪। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ এবং ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে আওয়ামীলীগের ইশতেহার ছিল ৬ দফা ভিত্তিক। পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিল ৩১৩ টি(সংরক্ষিত ১৩টি সহ)। পশ্চিমের জন্য ১৪৪ টি(৭ টি সংরক্ষিত সহ) এবং পূর্বের জন্য ১৬৯ টি (সংরক্ষিত ৭ টি সহ) আসন বরাদ্দ ছিল। 
২৫। নির্বাচনে আওয়ামীলীগ পায় জাতীয় পরিষদের ১৬৭ টি (৭টি মহিলা আসন সহ) এবং প্রাদেশিক পারিষদে ৩০০ টির মধ্যে ৩০০ টির মধ্যে ২৮৮ টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা লাভ করেন। উল্লেখ্য পূর্ব পাকিস্তানে এ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলীম লীগ কোন আসন ই পায় নি।

About মোঃজয়নাল আবদীন

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন, আমি আজ আপনাদের সামনে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকের বিষয় আসসালামু আলাইকুম। আমি মোহাম্মদঃ জয়নাল আবদীন । আমি আমার এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিসিএস এর সকল প্রকার বিষয় ভিত্তিক লেকচার দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়াও আপনি এখানে বিভিন্ন প্রকার পিডিএফ আকারে বই পাবেন। যেগুলো যে কোনো চাকরির পরীক্ষা, কিংবা পাবলিক পরীক্ষার জন্য অনেক কাজে আসবে। আমি একটা কথাই জানি সেটা হচ্ছে কোন জাতীয় শিক্ষা ছাড়া। তাই আমার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় জ্ঞানই শক্তি ।আসুন সবাই জ্ঞান অর্জন করি এবং এর সাথে সহযোগিতা করি ।

Leave a Reply