bcs preparation bangladesh

bcs preparation Bangladesh affairs,Sherpur gov collage,MCQ test,Bangladesh affair,General knowledge,BCS study,Bangla shortcut technique,Bangladesh Affairs,Bangladesh Affair mcq questions for BCS,Bangladesh Affair pdf Download,,bcs preparation
bcs preparation bangladesh

bcs preparation bangladesh

১। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে কয়জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ আছে? তাঁরা কে কে ?
৪ জন । তাঁরা হলেন
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ইউসুফ আলী ও জেনারেল ইয়াহিয়া খান।
২। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কতবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে?
৫ বার
১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৮৭, ১৯৯০ ও ২০০৭ সালে।
৩। বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কতবার সংবিধান স্থগিত হয়েছে?
৩ বার
৬ নভেম্বর ১৯৭৫ থেকে ৯ এপ্রিল ১৯৭৯, ২৪ মার্চ ১৯৮২ থেকে ১০ নভেম্বর ১৯৮৬ ও ৬ থেকে ৯ ডিসেম্বর ১৯৯০।
৪। মুজিব কথাটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে ?
৪(ক), ১৫০ ও তফসিল ৫, ৬ ও ৭ এ আছে।
৫। বাংলাদেশের সংবিধানের ১ম ও শেষ সাক্ষরকারী কে কে ?
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেষ সাক্ষরকারী জনাব সদরউদ্দীন আহমেদ।
৬। তাজউদ্দিন আহমেদ খন্দকার মোশতাককে ভাইপার (বিষাক্ত সাপ) এর সাথে তুলনা করতেন।৯ মাস প্রধানমন্ত্রী হিসাবে কিভাবে তিঁনি মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন তা নিয়ে জেলে বসে একটি বই লিখেছিলেন।বইটির নাম মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কথা।কিন্তু বইটি আর পাওয়া যায়নি।
৭। পৃথিবীর কতটি দেশ যুদ্ধ করে স্বাধীন হয়?
৪ টি
বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনাম।
৮। পৃথিবীতে কতটি দেশ ঘোষণা দিয়ে স্বাধীন হয়?
২ টি
=বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র।
৯। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ ছাড়াও আরও কোন কোন দেশ স্বাধীনতা লাভ করে?
বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
১০। >২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয় কবে ?
মার্চ ২০, ২০১৭, সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে এ অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘দিবসটি আন্তর্জাতিকভাবে পালনের বিষয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জাতিসংঘে এ সংক্রান্ত একটি সংস্থা আছে। তাদের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।’
শফিউল আলম বলেন, ‘মন্ত্রিসভা বৈঠকে ২৫ মার্চকে ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ‘ক’ শ্রেণীভুক্ত দিবসে সরকারিভাবে সর্বোচ্চ পরিমাণ অর্থ খরচ করা যায়। অতিথি তালিকাও নির্দিষ্ট করা আছে এতে।’ এর আগে ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাবে সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন দেয়া হয়। সংগৃহীত – (২১ মার্চ, ২০১৭)
প্রস্তাব গেছে জাতিসংঘেও — একাত্তরের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর হত্যাযজ্ঞের দিনটিকে ‘গণহত্যা দিবস’ ঘোষণার আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে দিনটি পালনের প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
=======
১১। কোন কোন দেশে গণহত্যা চালানো হয় ?
বাংলাদেশ , আর্মেনিয়া, বসনিয়া , দারফুর গণহত্যা , ভিয়েতনাম , কম্বোডিয়া , রুয়াণ্ডা , হলোকাস্ট ও ন্যানকিং গণহত্যা( পোলাণ্ড ও জার্মানি) ।
১২ । “বাংলাদেশ” কেনো?
অন্য কিছু নয় কেনো?
আনুষ্ঠানিকভাবে সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভাতেই বঙ্গবন্ধু ১৯৬৯ সালে এ ভূখণ্ডের বাংলাদেশ নামকরণ করেন। ১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু বলেন,‘এদেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে ‘বাংলা’ কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইতেছে। … একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোনো কিছুর নামের সঙ্গে ‘বাংলা’ কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় না। … জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি- আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম ‘পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘বাংলা দেশ’।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় আসার কিছুদিন আগে আওয়ামী লীগের দলীয় বৈঠকে পূর্ব বাংলার নামকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে বিভিন্ন নেতা বিভিন্ন নাম প্রস্তাব করেন। বৈঠকে একেকজন নেতা একেক নাম প্রস্তাব করেন।
>> কেউ বললেন, এই দেশের নাম স্বাধীন বাংলা হোক, বঙ্গবন্ধু শুনলেন।
একজন নেতার প্রস্তাব হলো এই দেশের নাম
“জয় বাংলা “হলে ভালো হয়,
বঙ্গবন্ধু শুনলেন।
আরেক নেতা বললেন, এই দেশের নাম “বঙ্গভূমি” হোক।
বঙ্গবন্ধু সবার কথা মনোযোগ সহকারে শুনলেন।
তার পর বললেন, আমি একটি নাম দিয়েছি কেমন হয় বলত! আমাদের দেশের নাম হবে “বাংলাদেশ।”
…. সবাই শুনে নামটা পছন্দ করলেন এবং শুনতে চাইলেন বাংলাদেশ কেন রাখলেন?
বঙ্গবন্ধু বললেন, আমরা ১৯৫২ সালে সংগ্রামের মাধ্যমে নিয়েছি ভাষা, আর সে ভাষাটি হলো ‘বাংলা’, আর এখন সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করব ‘দেশ’, এই দু’টো ইতিহাস ও সংগ্রামকে এক করে হবে ‘বাংলাদেশ’। সঙ্গে সঙ্গে সবাই নামটা গ্রহণ করলেন।
——–============================
তথ্য সূত্র : ইন্টারনেট ।
====================
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গণহত্যা
১। বাংলাদেশে গণহত্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের মানুষের ওপর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ শুরু করেছিল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও গণহত্যার ইতিহাস আছে। সেই চিত্রই তুলে ধরা হলো এই আয়োজনে।

২। আর্মেনীয় গণহত্যা

আর্মেনিয়া ইউরোপের একটি দেশ। জাতিগত আর্মেনীয়রা নিজেদের ‘হায়’ বলে থাকে। আর্মেনিয়ার ৯০ শতাংশ মানুষ এই ‘হায়’ জাতির। ১৯১১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯২২ সালে এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তুর্কিরা আর্মেনীয়দের ওপর নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। তিন বছর ধরে চলা এই গণহত্যায় সে দেশের ১৫ লাখ মানুষ মারা যায়। সে সময় আর্মেনিয়ার জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৩৪ লাখ।

৩। হলোকাস্ট ও ন্যানকিং গণহত্যা
হলোকাস্ট শব্দটা বাংলা করলে দাঁড়ায় সবকিছু পোড়ানো। তবে শব্দটি এখন জার্মান সেনাদের প্রায় ৬০ লাখ মানুষ হত্যাকেই বোঝায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ইহুদি ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের ওপর চালানো এই গণহত্যাকে স্মরণকালের সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যা হিসেবে ধরা হয়।
১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে থেকেই ইহুদিদের ওপর জার্মান বাহিনীর খড়্গ নেমে এসেছিল। তবে বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর যা ঘটে, সেই নৃশংসতাকে কোনো শব্দ দিয়ে বোঝানো সম্ভব নয়। জার্মান বাহিনী ১৯৪১ সাল নাগাদ ইউরোপের বেশ কিছু দেশ দখলে নেয়। তখন জার্মানিতে ক্রমবর্ধমান নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে পার্শ্ববর্তী পোল্যান্ড, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ডেনমার্ক ও নরওয়েতে আশ্রয় নেয় লাখ লাখ মানুষ। অনেক ইহুদিকে বন্দী করে পাঠানো হয় পোল্যান্ড ও জার্মানির বন্দিশালাগুলোতে।
এসব বন্দিশালাতেই কখনো গুলি, কখনো গ্যাস কিংবা কখনো রাসায়নিক প্রয়োগে হত্যা করা হয় কয়েক লাখ ইহুদিকে। বন্দিশালায় অত্যধিক পরিশ্রম, খাবারের অভাব আর চিকিৎসার অভাবেও মারা যায় বহু ইহুদি।
এই নৃশংসতম গণহত্যায় নিহত ব্যক্তিদের স্মরণে প্রতিবছর ২৭ জানুয়ারি জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক হলোকাস্ট দিবস।
একই সময়ে আরেকটি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যা ‘দ্য ন্যানকিং ম্যাসাকার’ কিংবা ‘রেইপ অব ন্যানকিং’ নামে অনেকের জানা। ১৯৩৭ সালের ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৯৩৮ সালের জানুয়ারির শেষ ভাগ পর্যন্ত জাপানি সেনাবাহিনী চীনের তৎকালীন রাজধানী ন্যানকিং শহরটিকে একদম গুঁড়িয়ে দেয়। প্রচুর পরিমাণে ধর্ষণ, হত্যাকাণ্ড ও লুটতারাজ চলতে থাকে। এই অল্প সময়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখ। বলা হয়ে থাকে, সেই যুদ্ধে এক তলোয়ারে ১০০ মানুষকে জবাই করা হতো।
.
৪। কম্বোডীয় গণহত্যা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়া। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশটিতে ক্ষমতায় ছিল খেমাররুজরা। এই চার বছরে খেমাররুজ সরকার নির্মম গণহত্যা ঘটিয়েছিল, যা কম্বোডীয় গণহত্যা নামেই পরিচিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিভিন্ন গণহত্যার মধ্যে কম্বোডিয়ার এই হত্যাকাণ্ড উল্লেখযোগ্য। বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নামে এই সময়ে প্রায় ২০ লাখ সাধারণ কম্বোডীয়কে হত্যা করে ক্ষমতাসীন বামপন্থী খেমাররুজ সরকার।
যে নৃশংস হত্যার শুরু হয়েছিল আগের সরকারের অধীনে কাজ করা কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে। কেউ অনিয়মের প্রতিবাদ করলেই হত্যা করা হতো। একপর্যায়ে এই হত্যাযজ্ঞ ছড়িয়ে পড়ে খোদ খেমাররুজ সদস্যদের মধ্যেও। বিদেশিদের গুপ্তচর, দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বায়বীয় অভিযোগে অনেক খেমাররুজ সদস্যকেও তাঁদের জীবন হারাতে হয়।
একসময় দেশটিতে চরম অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়। দেখা দেয় দুর্ভিক্ষ। দুর্ভিক্ষ আর মহামারিতে আক্রান্ত হয়েও প্রাণ হারাতে থাকে হাজার হাজার মানুষ। পরে ভিয়েতনামের সরকারি বাহিনীর হাতে খেমাররুজ সরকারের পতন হয়।
.
৫। বসনীয় গণহত্যা
১৯৯২ সালের এপ্রিলে যুগোস্লাভিয়া থেকে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। এই অপরাধে এই মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় বসনীয় সার্বরা। ধারণা করা হয়, এই গণহত্যায় কমপক্ষে এক লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
তিন বছর ধরে চলা এই গণহত্যার মধ্যে নৃশংসতায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সেব্রেনিৎসা গণহত্যা। ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসে জাতিসংঘ ঘোষিত নিরাপদ এলাকা সেব্রেনিৎসায় নিয়োজিত শান্তিরক্ষী বাহিনীর সামনেই আলাদা করা হয় সেখানে বসবাসরত নারী ও পুরুষদের। এরপর শুরু হয় নৃশংসতার প্রথম পর্ব। মুসলিম নারী ও কিশোরীদের একে একে বাসে তুলে পাঠানো হয় সার্ব-অধ্যুষিত এলাকাগুলোয়, যেখানে তাদের ওপর চালানো হয় যৌন নিপীড়ন, অপেক্ষাকৃত কম বয়সীরা শিকার হয় ধর্ষণের। অন্যদিকে সেব্রেনিৎসার সাত থেকে আট হাজার কিশোর ও পুরুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় সেখানেই।
একই ধরনের নৃশংসতা চালানো হয় সারায়েভো, জেপা, ফোকা, প্রিজেদর ও ভিজগ্রাদে। সার্বীয় সৈন্যদের হাতে হত্যা আর ধর্ষণের শিকার হয় লক্ষাধিক বসনীয় মুসলিম।
.
৬। রুয়ান্ডায় গণহত্যা
রুয়ান্ডার জনগণের মধ্যে মূল দুই গোষ্ঠী হচ্ছে হুতু ও তুতসি, যার মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় হুতু। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডা দখলে নেয় বেলজিয়াম। তারা রুয়ান্ডার ক্ষমতায় বসায় তুতসিদের। দেশটার ব্যবসা-বাণিজ্য এই তুতসিরা নিয়ন্ত্রণ করত। ১৯৬২ সালে রুয়ান্ডা ছেড়ে চলে যায় বেলজিয়াম। এরপর তুতসিদের হাত থেকে ক্ষমতা চলে যায় সংখ্যাগুরু হুতু সম্প্রদায়ের কাছে। এবার হুতুরা তুতসিদের ওপর নির্যাতন চালাতে থাকে। এ অবস্থা দিনে দিনে বাড়তে থাকে। ১৯৯৪ সালের ১৭ এপ্রিল এই দ্বন্দ্ব গৃহযুদ্ধে রূপ নেয়।
উগ্র জাতীয়তাবাদে মত্ত হয়ে প্রতিবেশী হুতুরা সপরিবার হত্যা করতে শুরু করে প্রতিবেশী তুতসিদের। এমনকি হুতু সম্প্রদায়ভুক্ত স্বামী তাঁর তুতসি স্ত্রীকে হত্যা করেন এই ভয়ে যে তাঁর স্ত্রী তুতসি হওয়ার অপরাধে তাঁরও প্রাণ যেতে পারে। লক্ষাধিক তুতসি নারীকে ধরে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
১৯৯৪ সালের জুলাইয়ের মাঝামাঝি পর্যন্ত, মাত্র ১০০ দিন চলা হত্যাকাণ্ডে তুতসি সম্প্রদায়ের আট লক্ষাধিক নারী-পুরুষ মারা যায় হুতু সম্প্রদায়ের হাতে।
.
৭। দারফুর গণহত্যা
একুশ শতকের নৃশংসতম গণহত্যা হিসেবেই ধরা হয় দারফুর গণহত্যাকে। এই গণহত্যা শুরু হয় ২০০৪ সালে, যখন সুদানের কিছু সংগঠন সুদান সরকারের বিরুদ্ধে অনারব সুদানিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ এনে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
সুদানের একনায়ক ওমর আল বশির সরকার এ ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিক মোড় নেয়। ওমর আল বশিরের নেতৃত্বাধীন সুদান সরকারের সহায়তায় গঠিত আধা সামরিক জানজায়িদ বাহিনী অনারব এই বিদ্রোহীদের দমনের নামে অনারব জনগোষ্ঠীর ওপর শুরু করে নৃশংস এক গণহত্যা। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুসারে এখন পর্যন্ত সুদানে গণহত্যার শিকার হয়ে মারা গেছে দুই লক্ষাধিক মানুষ, ধর্ষণের শিকার হয়েছে অগুনতি নারী আর বাস্তুহারা হয়েছে বিশ লক্ষাধিক মানুষ।

About মোঃজয়নাল আবদীন

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন, আমি আজ আপনাদের সামনে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকের বিষয় আসসালামু আলাইকুম। আমি মোহাম্মদঃ জয়নাল আবদীন । আমি আমার এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিসিএস এর সকল প্রকার বিষয় ভিত্তিক লেকচার দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়াও আপনি এখানে বিভিন্ন প্রকার পিডিএফ আকারে বই পাবেন। যেগুলো যে কোনো চাকরির পরীক্ষা, কিংবা পাবলিক পরীক্ষার জন্য অনেক কাজে আসবে। আমি একটা কথাই জানি সেটা হচ্ছে কোন জাতীয় শিক্ষা ছাড়া। তাই আমার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় জ্ঞানই শক্তি ।আসুন সবাই জ্ঞান অর্জন করি এবং এর সাথে সহযোগিতা করি ।

Leave a Reply