bcs preparation new way

আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে গঠিত- পরিবেশ।পরিবেশ দু’ভাগে বিভক্ত-১) জড় পরিবেশ ২) জীব পরিবেশ।
♦জৈব ও অজৈব পরিবেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করা হয়— ইকোলজি বা বাস্তুবিদ্যায়।
♦বেচে থাকার প্রয়োজনে কোনো এলাকায় জীব ও জড়ের মধ্যে যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে তাকে বলে-ইকোসিস্টেম বা বাস্তুসংস্থান।
♦জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে-প্রাকৃতিক পরিবেশ।
♦কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি থাকা প্রয়োজন– ২৫%
♦বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ– ১৭%।
♦পুকুরের ইকোসিস্টেমের একটি বড় উপাদান হচ্ছে— অক্সিজেন।
♦জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করে– মালদ্বীপ ২০০৯ সালে।
♦হিমালয়ের চূড়ায় বৈঠক করে— নেপাল।
♦জাতিসংঘের ২০১৫ অধিবেশনে পরিবেশ বিষয়ক চ্যাম্পিয়ন অব দি আর্থ পুরস্কার লাভ করেন— শেখ হাসিনা।
♦প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী—মানুষ।
♦জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য মঞ্জুর করেছে– ১০০ মিলিয়ন ডলার। 
♦পরিবেশ দূষণ প্রধানত চার প্রকার– বায়ু দূষণ,পানি দূষণ, মাটি দূষণ ও শব্দ দূষণ।
♦গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধিকে বলা হয়— গ্লোবাল ওয়ারমিং (বৈশ্বিক উষ্ণতা)।
♦গ্রিন হাউজ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন— সুইডিশ রসায়নবিদ সোভনটে আরহেনিয়াস
♦গ্রিন হাউজ হলো— কাচের তৈরি ঘর যার ভিতরে গাছপালা লাগানো হয়
♦গ্রিন হাউজ ব্যবহার করা হয়- শীত প্রধান দেশে তীব্র ঠাণ্ডা থেকে গাছপালাকে রক্ষা করার জন্য।
♦গ্রিন হাউজ ইফেক্টের কারণে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর যে ক্ষতি হবে— সমুদ্রের পানি উচ্চতা বেড়ে গিয়ে নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
♦ওজোন স্তরের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে— ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC);
♦CFC সক্রিয় থাকে( ৮০-১৭০) বছর 
♦CFC আবিষ্কার করেন-Professor T. Midgley;
♦CFC বিহীন ফ্রিজকে বলা হয়— পরিবেশবাদী ফ্রিজ।
♦গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী গ্যাসমূহ হলো— CO, CO২, CFC, CH, So২, No২ প্রভৃতি।
♦ই-৮ হলো- পরিবেশ দুষণকারী ৮টি দেশ ।
♦বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাই অক্সাইডের স্বাভাবিক পরিমাণ— ০.০৩ শতাংশ।
♦কোনো প্রাণী বাচতে পারেনা বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ– ২৫% এর বেশি হলে ।
♦বায়ুদূষণের জন্য প্রধান দায়ী কার্বন-মনোক্সাইড, গাড়ি নির্গত কালো ধোয়ায় বিদ্যমান বিষাক্ত গ্যাস হচ্ছে কার্বন মনোঅক্সাইড।
♦শব্দদূষণ সৃষ্টি হয় শব্দের মাত্রা -৮০ ডেসিবেলের বেশি হলে
♦সর্বোচ্চ যে শ্রুতিসীমার ওপরে মানুষ বধির হতে পারে— ১০৫ ডেসিবেল ।
♦বিশ্ব জলাভূমি দিবস– ২ ফেব্রুয়ারি,
♦বন দিবস– ২১ মার্চ
♦পানি দিবস – ২২ মার্চ
♦আবহাওয়া দিবস– ২৩ মার্চ
♦ধরিত্রী দিবস– ২২ এপ্রিল
♦জীববৈচিত্র দিবস– ২২ মে
♦মরুকরুনণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস– ১৭ জুন
♦হাইড্রোগ্রাফিক দিবস– ২১ জুন,
♦বাঘদিবস— ২৯ জুলাই,
♦ওজন স্তর সংরক্ষণ দিবস– ১৬ সেপ্টেম্বর
♦দুর্যোগ প্রশমন দিবস– ১৩ অক্টোবর
♦টয়লেট দিবস– ১৯ নভেম্বর
♦কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ দিবস– ৩ ডিসেম্বর।
♦আর্থ আওয়ার— মার্চের শেষ শনিবার
♦আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস– এপ্রিলের যে কোন বুধবার।
♦বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণকারী দেশ– চীন।

♦পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক বর্ষঃ
২০১৪- আন্তর্জাতিক পারিবারিক খামার বর্ষ
২০১৩- আন্তর্জাতিক কিনুয়া, আন্তর্জাতিক পানি সহযোগিতা বর্ষ
২০১২-সকলের জন্য টেকসই জ্বালানি বর্ষ
২০১১- আন্তর্জাতিক বন বর্ষ
২০১০- আন্তর্জাতিক বাঘ বর্ষ
২০০৯- আন্তর্জাতিক প্রাকৃতিক আঁশ বর্ষ
২০০৮- ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অফ প্ল্যানেট আর্থ, আন্তর্জাতিক আলু বরষ,আন্তর্জাতিক স্যানিটেশন বর্ষ,
২০০৬- আন্তর্জাতিক খরা ও মরুভুমি বর্ষ
২০০৪- আন্তর্জাতিকধান বর্ষ
২০০৩- আন্তর্জাতিক জীবাণুমুক্ত বর্ষ
২০০২- আন্তর্জাতিক পর্বত বর্ষ ,আন্তর্জাতিক ইকোট্যুরিজম বর্ষ
১৯৯৮- আন্তর্জাতিক সমুদ্র বর্ষ 
২০০৫ থেকে ২০১৪- দ্বিতীয় বিশ্ব আদিবাসী দশক, টেকসই উন্নয়নে জন্য শিক্ষা দশক, জীবনের জন্য পানি দশক
২০০৬-২০১৬ – সমস্যা সঙ্কুল অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও পুনর্গঠন দশক
২০১০-২০২০- খরা ও মরুকরুনণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের দশক
২০১১-২০২০- নিরাপত্তা সড়ক দশক, জীব বৈচিত্র দশক ,তৃতীয় আন্তর্জাতিক ঔপনিবেশিক সুলভ আচরন দূরীকরুনণ দশক

পরিবেশ কূটনীতি :bcs preparation
============
♦পরিবেশ বিপর্যয় ও তার পরিপতি সম্পর্কে মানুষের ক্রমবর্ধমান সচেতনতা থেকেই উৎপত্তি লাভ করে— পরিবেশ কূটনীতির ধারণা।
♦পরিবেশ বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি দায়ী— শিল্পোন্নত বিশ্ব।
♦পরিবেশ কূটনীতির ধারণা উদ্ভবে মাইলফলকের ভূমিকা পালন করে— ধরিত্রী সম্মেলন।

♦ টেকসই পরিবেশ উন্নয়নকল্পে ১৯৭১ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন Green Peace

♦ রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭১ সালে এবং এটি কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালে

♦ জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে।

bcs preparation

♦ পরিবেশগত বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় UNEP বা United Nations Environment Programme

♦ বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে ১৯৭৪ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে ওয়াশিংটন ভিত্তিক পরিবেশবাদী গ্রুপ World Watch

♦ পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা Green Belt Movement প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।এর প্রতিষ্ঠাতা ওয়াঙ্গেরি মাথাই যিনি ২০০৪ সালে শান্তিতে নোবেল পান।

♦ জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৮২ সালে প্রনীত হয় আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন UNCLOS বা United Nations Convention on the Law Of the sea

♦ পরিবেশ গবেষণা এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় IPCC বা Inter-governmental Panel on Climate change. টেকসই পরিবেশ উন্নয়নে অনবদ্য ভূমিকার জন্য সংস্থাটি ২০০৭ সালে শান্তিতে নোবেল পান।

♦ পরিবেশ সচেতনতা এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে জার্মানির পরিবেশবাদী সংগঠন German Watch

♦ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে GEF বা Global Environment Facility

♦ পরিবেশ ও উন্নয়ন নিয়ে ১৯৯২ সালের (৩-১৪) জুন পর্যন্ত ব্রাজিলের রিওডিজেনেরিও তে বিশ্বের প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন হয়।

♦ একবিংশ শতাব্দীর পরিবেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক দলিল প্রনয়ন করা হয় ১৯৯২ সালে যা Agenda-21 নামে পরিচিত।

♦ জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত হয় UNFCCC বা United Nations Framework Convention on Climate Change. এটি কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে। বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ১৯৯২ সালে এবং অনুমোদন করে ১৯৯৪ সালে।

♦ পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা Green Cross International প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৩ সালে।এর প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ

♦ জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতিবছর বিশ্ব জলবায়ু অনুষ্ঠিত হয় যা সংক্ষেপে COP বা Conference Of the Parties নামে পরিচিত।COP এল প্রথম সম্মেলন হয় ১৯৯৫ সালে বার্লিনে।

♦ তেজস্ক্রিয় পদার্থ তথা পারমাণবিক বোমা তৈরিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় CTBT বাComprehensive Nuclear Test Ban Treaty.

♦ ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটো নগরীতে COP এর তৃতীয় বৈঠকে Kyoto Protocol স্বাক্ষরিত হয় এবং বলা হয় উন্নত দেশগুলো ১৯৯০ সালকে ভিত্তি বছর ধরে গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ৫.২% হারে কমাবে।

♦ কার্টাগেনা প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় ২০০০ সালে।এটি কার্যকর হয় ২০০৩ সালে।বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

♦ ২০০৯ সালে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এ COP-১৫ সম্মেলন হয়, যেখানে ভৃ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। COP-15 এ উন্নত দেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশ সমূহের জন্য ২০২০ সাল নাগাদ ১০০ বিলিয়ন ডলার সাহায্যের রূপরেখা প্রনয়ন করে।

♦ COP -১৬ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুন শহরে। এই সম্মেলনে Green Climate Fund গঠিত হয়।

♦ COP-১৮ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালে কাতারের রাজধানী দোহাতে। এই সম্মেলনে Kyoto Protocol এর মেয়াদ ২০১২ থেকে বাড়িয়ে ২০২০ সালে উন্নীত করা হয়।
♦ নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় ২০১০ সালে।এটি কার্যকর হয় ২০১৪ সালে।

♦ ১২ নভেম্বর, ২০১৪ সালে USA এবং China র মধ্যে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ রোধ চুক্তি হয়। এই চুক্তিতে USA ২০২৫ সালের মধ্যে তারা ২০০৫ সালের তুলনায় ২০-২৮% গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে আনার কথা বলে। অপরদিকে চীন কোনরূপ লক্ষ্য ঠিক না করে ২০৩০ সালের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে আনার কথা বলে।বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশী গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ করে China এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে USA.

♦ COP-২১ সম্মেলন হয় ২০১৫ সালে প্যারিসে এবং এ সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্বাক্ষর হয়নি বরং তা স্বাক্ষরিত হয় ২২ এপ্রিল ২০১৬ সালে নিউইয়র্ক সিটিতে।প্যারিস জলবায়ু চুুুক্তিতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি বা তার নীচে রাখার সময় সীমা নির্ধারণ করা হয়– ২১০০ সাল পর্যন্ত

♦বিশ্ব জলবায়ু সূচক ২০১৯ অনুযায়ী সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ পুয়ের্তোরিকো বাংলাদেশ ৯ম ঝুকিপূর্ণ দেশ।

♦ COP-২৪ তম সম্মেলন হয় ২০১৮ সালে পোল্যান্ডে।এবং COP-২৫ সম্মেলন হবে ২০১৯ সালে চিলিতে।

♦UNEP-এর পূর্ণরূপ – United Nantions Environment Programme
প্রতিষ্ঠা-১৯৭২ সালে
সদরদপ্তর— নাইরোবি, কেনিয়া।
♦IUCN- এর পূর্ণ রূপ– International Union for Conservation of Nature
প্রতিষ্ঠা- ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮ সালে
সদরদপ্তর-Gland,Switzerland 
♦IPCC- এর পূর্ণরূপ – Intergovernmental Panel on Climate Change.IPCC শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে— ২০০৭ সালে।
♦ WMO এবং UNEP-এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়— IPCC
♦WWF এর পূর্ণরূপ –World Wide Fund for Nature (পরিবেশ রক্ষা বিষয়ক সংস্থা)
প্রতিষ্ঠতা-২৯ এপ্রিল, ১৯৬১ সালে। 
সদরদপ্তর-Gland,Switzerland 
♦ বাংলাদেশের পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন হলো— বাপা
♦ পরিবেশ আইনজীবি সমিতির নাম— বেলা (BELA), 
♦ বাংলাদেশে পরিবেশ আদালত— ৩টি পরিবেশ 
♦ আপিল আদালত— ঢাকা । 
♦ বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় পরিবেশ নীতি ঘোষিত হয়– ১৯৯২ সালে
♦পরিবেশ সংরক্ষণ আইন গৃহীত হয়— ১৯৯৫ সালে (সর্বশেষ সংশোধন— ২০১০)
♦পরিবেশ বিধিমালা গ্রহণ করা হয়— ১৯৯৭ সালে ।♦কার্টাগোনা প্রটোকল হচ্ছে— জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি। 
♦কিয়েটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়— ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭; কার্যকরুন হয়— ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫; মেয়াদ– ২০২০ পর্যন্ত
♦গ্রীন ফ্লাইমেট ফাণ্ড গঠনের অঙ্গীকার করা হয়— কোপেন হেগেনে (COP-এর ১৫তম সম্মেলনে)।
♦আর্কটিক-এর বরফ গলে যাওয়ার কারণ–বৈশ্বিক উষ্ণতা 
♦১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয়— জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন (UNCHE)
♦১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন (UNCED) অনুষ্ঠিত হয়, যা— ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
♦১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন– ধরিত্রী সম্মেলন+৫ ৷
♦বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন- (World Summit on Sustainable Development) অনুষ্ঠিত হয়— ২০০২ সালে ।
♦২০১২ সালে অনুষ্ঠিত হয় রিও+২০, যার মূল নাম– ইউনাইটেড নেশন কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট’।
♦১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ– অস্ট্রিয়ায় ওজোন স্তর সুরক্ষা ও সংরক্ষণে ঐতিহাসিক ভিয়েনা কনভেনশন গৃহীত হয়।
♦১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ– সুইজারল্যান্ডের বাসেল কনভেশন গৃহীত হয় যার লক্ষ্য বিপজ্জনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং এদের নিয়ন্ত্রণ।
♦বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন সমর্থন করে– ১৯৯৩ সালে।
♦৫ জুন, ১৯৯২– ব্রাজিলে জীব বৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৩ সালে কার্যকরুন হয়। বাংলাদেশ– ১৯৯২ সালে জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৪ সালে অনুমোদন করে।
♦২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি— কানাডার মন্ট্রিলে কাটাগোনা প্রটোকল গৃহীত হয় এবং ২০০৩ সাল হতে কার্যকর হয়।
♦জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটোতে কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়- ১১ ডিসেম্বর , ১৯৯৭ সালে
♦মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়- ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭।
♦মন্ট্রিল প্রটোকল হলো— বায়ুমণ্ডলের স্ট্যাটোস্ফিয়ারিক স্তরে অবস্থিত ওজন স্তরকে রক্ষাবিষয়ক প্রটোকল

Genaral Science,bcs preparation,bcs preparation
bcs preparation

♦২০০০ সালে বিশ্ব পরিবেশ বিষয়ক হেগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে।
♦২০০৭ সালে বালি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন শহর বালি দ্বীপে।
♦বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কোপ-১৫ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়— ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে।
♦জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ১৬তম/কানকুন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়— মেক্সিকোর কানকুন শহরে।
♦জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ২০তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- পেরুর লিমায়।
♦উন্নত দেশগুলো একটি গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের অঙ্গীকার করে— ২০০৯ সালে, কোপেনহেগেন সম্মেলনে।
♦ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র দেশগুলোর সহায়তায় প্রতিবছর ১০০বিলিয়ন ডলার প্রদান করা হবে—২০২০ সাল হতে।
♦Agenda-21 গৃহীত হয়— ১৯৯২ সালে।
♦২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর জলবায়ু সংক্রান্ত সম্মেলন COP-21 অনুষ্ঠিত হয়— ফ্রান্সের প্যারিসে।

About মোঃজয়নাল আবদীন

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন, আমি আজ আপনাদের সামনে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কিছু নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকের বিষয় আসসালামু আলাইকুম। আমি মোহাম্মদঃ জয়নাল আবদীন । আমি আমার এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিসিএস এর সকল প্রকার বিষয় ভিত্তিক লেকচার দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়াও আপনি এখানে বিভিন্ন প্রকার পিডিএফ আকারে বই পাবেন। যেগুলো যে কোনো চাকরির পরীক্ষা, কিংবা পাবলিক পরীক্ষার জন্য অনেক কাজে আসবে। আমি একটা কথাই জানি সেটা হচ্ছে কোন জাতীয় শিক্ষা ছাড়া। তাই আমার মূল প্রতিপাদ্য বিষয় জ্ঞানই শক্তি ।আসুন সবাই জ্ঞান অর্জন করি এবং এর সাথে সহযোগিতা করি ।

Leave a Reply